ছাম্মি আহামেদ আজমীর :
বাংলাদেশের জনপ্রিয় বেসরকারি স্যাটালাইট চ্যানেল আরটিভির সাবেক স্টাফ রিপোর্টার,জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক,সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক নেতা,নাট্য নিকেতন এর সাবেক উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য প্রয়াত সুকান্ত সেন এর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাত ৭ টায় মুজিব সড়ক রোডস্থ শ্রী শ্রী মহাপ্রভু আখড়া প্রয়াত সুকান্ত সেন এর পরিবারের পক্ষ থেকে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা প্রার্থনা সভা ও কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রয়াত সুকান্ত সেন এর সহধর্মিণী স্বপ্না সেন বলেন,আমার স্বামী সুকান্ত সেন ছিলেন খুব আন্তরিক,বিনয়ী ও ভালো মনের মানুষ। আমি এবং আমার পরিবারের সন্তানেরা সহ সিরাজগঞ্জের মানুষ তাকে আজও মনে রেখেছে এবং এখনো মনে প্রাণে ভালো বাসে।

তিনি আরও বলেন,আমার স্বামী ২০২০ সালের করোনা কালীন সময়ে এই দিনের ভোর ৫টা ৪৬ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্তান,সহকর্মী এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী মানুষের অশ্রুভেজা বিদায় নিয়ে পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেন তিনি।সুকান্ত সেন শুধু একজন সাংবাদিকই নন,তিনি ছিলেন সিরাজগঞ্জের গণমাধ্যম,জেলা পূজা উদযাপন এবং নাট্য অঙ্গনের সকলের কাছে প্রাণের মানুষ। সত্য ও ন্যায়ের কথা বলতে তিনি কখনো দ্বিধা করেননি।খবরের পিছনে তাঁর ছুটে চলা মানুষের কষ্ট বুঝে তাদের কথা তুলে ধরার দায়বদ্ধতা এবং পেশার প্রতি অপরিসীম নিষ্ঠা সবই তাকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে। তাঁর হাসিমাখা মুখ সহজ-সরল ব্যবহার আর মানবিক চরিত্র আজও যারা কাছ থেকে তাঁকে চিনতেন তাদের হৃদয়ে রয়ে গেছে গভীর আবেগের স্মৃতি হয়ে। আমাকে সুকান্ত সেন এর অনেক সহকর্মীরা প্রতি নিয়ত বলেন,প্রিয় সুকান্ত সেনের অনুপস্থিতি আজও সংবাদঘরে শূন্যতা তৈরি করে।তিনি ছিলেন সবার আস্থার জায়গা উদ্বেগের সময়ে সাহস দেওয়ার মানুষ।সমাজের সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক আর বন্ধুদের কাছে ছিলেন হাসি আনন্দের ঠিকানা।
মৃত্যুর পাঁচ বছর পরও প্রতি নিয়ত আমাদের পরিবারের সদস্যদের যেকোনো সময় মনে হইলে চোখে পানি আসে তাঁর নাম শুনলেই। আমার সন্তানদের কাছে তিনি আজও পথপ্রদর্শক। প্রতিটি স্মৃতিতে জড়িয়ে আছে তার স্নেহ,দায়িত্ববোধ আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। স্মৃতির পাতায় তিনি আজও উজ্জ্বল।






