নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ-সলঙ্গা-বগুড়া মহাসড়কের ঘুকড়া বাজারের পাশে মামা- ভাগ্নে হোটেলের মালিক আব্দুল্লাহর অধীনে তার হোটেলের পাশেই গড়ে তুলেছেন অবৈধ চোরাই পাথরের রমরমা ব্যবসা। এই অবৈধ ব্যবসার দায়িত্ব দেন, কিশোর গ্যাং লিডার, আকাশ ও নিতিশকে এদের বিষয়ে জানা যায় এরা দুইজন হল কিশোর গ্যাং এর লিডার এরা পারে না এমন কোন কাজ নেই। দিনে দুপুরে এরা গাড়ি থেকে জোরপূর্বক ভাবে মালামাল নামিয়ে নেন। এই গ্যাংয়ের বিষয়ে আরো জানাযায় যে সাহেবগঞ্জ থেকে ভূইয়াগাতি বাজার পর্যন্ত, এরা এই অপকর্ম তান্ডব চালিয়ে আসছে দীর্ঘদিন যাবত। চুরি, ডাকাতি , ছিনতাই, মাদক, ব্যবসা থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়, এবং ট্রাক থেকে পাথর আরো অন্যান্য মালামাল ট্রাকের ডাইভারদের নেশার প্রলোবন দেখিয়ে পাথর ও অন্যান্য মালামাল চোরাই ভাবে নামিয়ে নেয়। এই কিশোর গাংয়ের গ্রুপ লিডার আকাশ, ও নিতিস যাদের নিয়ন্তনে ২০ থেকে ৩০ জন যুবক সব সময় তাদের কাজে নিয়োজিত থাকেন, এদের এই তাণ্ডবে গাড়ি ঘোড়া থেকে শুরু করে দোকান মালিক এবং হোটেল ব্যবসায়ী ও মহাসড়কের যাত্রী চালকরা সব সময়ের জন্য আতঙ্কিত হয়ে থাকে ৷ এদের বিষয়ে কারো প্রতিবাদ করার সাহস হয় না। এ বিষয়ে তথ্য পেয়ে সারেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এই কিশোর গ্যাংয়ের লিডার আকাশ ও নীতিশ দিনে দুপুরে মামা – ভাগ্নে হোটেলের পাশে অবৈধ চোরাই পয়েন্টে খুলে দিনে দুপুরে কয়েকটা ট্রাক থেকে পাথর চুরি করে নামিয়ে নিচ্ছে । এ বিষয়ে তথ্য পেয়ে সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে এই অবৈধভাবে পাথর নামানোর বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে, ইতিমধ্যেই কিশোর গ্যাংয়ের লিডার আকাশ তার লোকজন নিয়ে ধেয়ে আসে, এসে বলে কি বলেন আপনারা এটা আমাদের বৈধ ব্যবসা এ ব্যবসার অনুমতি আছে ক্যামেরা বন্ধ করে এখান থেকে চুপচাপ চলে যান, আর আমাদের বিরুদ্ধে লেগে কোন লাভ নেই কারণ আমরা প্রশাসন কে ম্যানেজ করেই এই ব্যবসা চালায় আর আমাদের বিরুদ্ধে কোন সংবাদিক আজও কোন নিউজ করার সাহস পাইনি । সংবাদকর্মীরা বলেন এটা কিভাবে বৈধ ব্যবসা হল আপনাদের বলুন , তখন কিশোর গ্যাংয়ের লিডার আকাশ বলেন আমাদেরকে এ ব্যবসার অনুমতি দিয়েছেন। সালঙ্গা থানার, এস, আই, মোঃ মেরাজ, পারলে মেরাজ ভাইয়ের সাথে কথা বলে।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায় এই পাথরের গাড়ি গুলো উত্তরবঙ্গ, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, দিনাজপুর ও হিলি, ও বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে প্রবেশ করেন সিরাজগঞ্জ রোড মহাসড়কে এখানেই ঢুকলেই চুরি করে পাথর নামিয়ে নেই এই সিন্ডিকেট চক্রটি, এ বিষয়ে অনেক পাথর ব্যবসায়ীরা বলেছেন আমাদের যে পাথরের গাড়ি গুলি যখন উত্তরবঙ্গ থেকে সিরাজগঞ্জে রোড এলাকায় প্রবেশ করে তখনই গাড়ি থেকে এই চড়চক্র টি পাথর নামিয়ে নেয়, এতে আমরা পাথর ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষতির মুখে পড়ে যাচ্ছি। আমরা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রশাসনিক কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানায়, মালামাল পরিবহনের মহাসড়ক হিসেবে পরিচিত, চোরাই পাথর ছাড়াও অন্যান্য পণ্য চোরাই সিন্ডিকেট সক্রিয় সদস্য রয়েছে। এসব চক্র প্রশাসনের অসাধু সদস্যদের ম্যানেজ করেই এসব ব্যবসা চালিয়ে আসছেন বলে জানান ।
এ প্রসঙ্গে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন আমরা আইনের লোক আমরা কখনো অবৈধ ব্যবসা কে বৈধ বলার প্রশ্নই আসে না আমাদের নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি কোন বৈধ ব্যবসা চালিয়ে থাকে সেই অবৈধ্য পাথরের ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হইবে। এই অবৈধ ব্যবসার অনুমোদনকারী এস,আই, মেরাজের প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে । সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, হুমায়ুন কবির বলেন এই নামে আমাদের থানায় কোন কর্মকর্তা বা কোন এস, আই নেই। বলে জানায়, আর যদি কেউ ছদ্দবেশী এস, আই, মেরাজ নামে, সলঙ্গা থানার নাম ভাঙিয়ে থাকে তার বিরুদ্ধে ও আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে বলে তিনি জানান।






