তারিকুল আলম, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের অর্থায়নে এবং পার্টনার প্রকল্প, বি অঙ্গ সহযোগিতায় সিরাজগঞ্জে কৃষক পর্যায়ে উচ্চফলনশীল ধান বীজ বিতরণ করা হয়েছে
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় কামারখন্দ উপজেলার ২নং ঝাঐল ইউনিয়ন পরিষদে ‘বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট’ আঞ্চলিক কার্যালয় সিরাজগঞ্জ এর উদ্যোগে বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বাছাইকৃত আনুমানিক ৮০, জন কৃষকের মাঝে ব্রি উদ্ভাবিত স্থানভিত্তিক আধুনিক ধানের জাতের প্রায়োগিক পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন এবং জনপ্রিয়করণের উদ্দেশ্যে বীজধান প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট’ আঞ্চলিক কার্যালয় সিরাজগঞ্জ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হীরেন্দ্র নাথ বর্ম্মন প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার এবং প্রধান, ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ এবং মো: সেন্টু রহমান সাইন্টিফিক অফিসার, ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ২ নং ঝাঐল ইউনিয়নের ইউপি সদস্যবৃন্দ।
এসময়ে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হীরেন্দ্র নাথ বর্ম্মন কৃষকদের উদ্দেশ্যে ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল আধুনিক ধান থেকে সবল চারা উৎপাদনের নিয়ম, আদর্শ বীজতলা তৈরি, পরিচর্যা ও সঠিক পদ্ধতিতে চারা রোপণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপ্রযুক্তি বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বিতরণকৃত জাতগুলোর বৈশিষ্ট্য, প্রয়োজনীয়তা ও ফলন ক্ষমতা সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
তিনি বলেন, ব্রি ধান৭৪ প্রতি কেজিতে ২৪.২ মিলিগ্রাম জিংক রয়েছে, যা মানবদেহের জিংক ঘাটতি পূরণে কার্যকর।
ড. হীরেন্দ্র নাথ বর্ম্মন জানান, কৃষকদের হাতে আধুনিক, উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল জাত পৌঁছে দিতে দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকের মাঠে নতুন জাতের ফলন, অভিযোজন ক্ষমতা ও কৃষিতাত্ত্বিক সুবিধা আরও বাস্তবভিত্তিকভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি বলেন ।






