শাহ আলম, সিরাজগঞ্জ : নতুন বছর নতুন দিন, নতুন বইয়ে হোক রঙিন” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জেও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ শহীদ মডেল স্কুলে নতুন বছরে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন পাঠ্য পুস্তক বিতরণ করা হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার ( জানুয়ারি ২০২৬) সকালের দিকে সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের মুজিব সড়কস্থ শহীিদ মডেল স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে নতুন বছরের নতুন পাঠ্য পুস্তক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
শোক দিবসের কারণে কোন ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ কাজের উদ্বোধন করেন শহীদ মডেল স্কুলের পরিচালক মোহাম্মদ হাছানুজ্জামান তালুকদার রঞ্জু। প্লে থেকে শুরু করে ৫ম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে এই বই বিতরণ করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ হাছানুজ্জামান তালুকদার রঞ্জু বলেন পড়াশোনা কেবল পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নয়—এটি একটি চিন্তা গঠনের প্রক্রিয়া, যা একজন মানুষকে আলোকিত, আত্মনির্ভর ও সচেতন করে তোলে। শিক্ষা মানুষকে উন্নত করে চিন্তায়, মননে এবং আচরণে। বিখ্যাত মনীষী, দার্শনিক ও শিক্ষাবিদেরা লেখাপড়া ও জ্ঞান অর্জন নিয়ে তোমাদের উদ্দ্যশ্যে যে সমস্ত কথা বলেছেন তা তোমাদের জন্য অনেক অনুপ্রেরণামূলক,। যা ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ জোগায় এবং শিক্ষার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। তাই তোমরা কোন অলসতা না করে পড়ালেখায় মনোযোগী হবে।তোমাদের অভিভাবক যারা আছেন তারা তোমাদের সহযোগিতা করছেন।তাছাড়া তোমাদের শিক্ষকরা তোমাদের সর্বতভাবে সহযোগিতা করবে। তোমাদের মাঝে থেকে বেড়িয়ে আসবে আগামীর দেশ কান্ডারি। তোমরাই অবদান রাখবে দেশ পরিচালনায়।
এ সময় এই বই বিতরণ কে কেন্দ্র করে শহীদ মডেল স্কুলে, ছাত্র-ছাত্রী /অভিভাবক বৃন্দ /এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের পদচারণায় মুখরিত ছিল স্কুল ক্যাম্পাস। বছরের শুরুতে নতুন বই পেয়ে আনন্দিত এবং খুশি ছাত্র-ছাত্রীরা।
অভিভাকেরা জানান, আজ থেকে শুরু হয়েছে নতুন বই বিতরণ এই ধারাবাহিকতায় সিরাজগঞ্জ শহীদ মডেল স্কুলে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বছরের শুরুতে বই বিতরন কর্মসূচি কে সাধুবাদ জানাই। আজকের ছাত্র ছাত্রী আগামী দিনের সুনাগরিক হয়ে এই দেশ পরিচালনা করবে। তাই তাদেরকে এখন থেকেই সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে, মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে শিক্ষক শিক্ষিকারা সব রকম সহযোগিতা করবেন স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে এমনটাই প্রত্যাশা সকল অভিভাবক বৃন্দের।
উল্লেখ্য : জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এদিন প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৬৫ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে পাঠ্যবই বিতরণ সম্পন্ন করা হয়। জেলার ১ হাজার ৬৭২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কিন্ডারগার্টেন, এনজিও পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ মাধ্যমিক সংযুক্ত প্রাথমিক শাখাগুলোতেও একযোগে বই বিতরণ করা হয়।






