মোঃ হোসেন আলী (ছোট্ট) : পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দ্বীপ জেলা ভোলা বাংলাদেশের ৫০তম জেলা হিসেবে যুক্ত হলো প্রতীকি বৈলাম বৃক্ষরোপণ অভিযানে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভোলার সরকারি গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির বৈলাম গাছ রোপণের মধ্য দিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। পরিবেশ ও প্রকৃতির পাঠশালা–এর উদ্যোগে সারাদেশে বিপন্ন ও হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় প্রজাতির গাছ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই প্রতীকি বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভোলা জেলা যুক্ত হলো এই পরিবেশবান্ধব আন্দোলনে। বৈলাম গাছ রোপণের মূল উদ্দেশ্য বৈলাম গাছ বর্তমানে বাংলাদেশের একটি মহাবিপন্ন উদ্ভিদ প্রজাতি। এই মূল্যবান গাছকে টিকিয়ে রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পরিচিত করে তুলতেই দেশের প্রতিটি জেলায় সংরক্ষিত ও নিরাপদ স্থানে অন্তত একটি করে বৈলাম গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে পরিবেশ ও প্রাণ প্রকৃতির পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা মাহবুবুল ইসলাম পলাশ বলেন—“বৈলাম গাছ এখন মহাবিপন্ন। শুধুমাত্র এই প্রজাতিটিকে টিকিয়ে রাখার জন্যই আমরা সারাদেশের প্রতিটি জেলায় সংরক্ষিত জায়গায় একটি করে বৈলাম গাছ রোপণ করে যাচ্ছি। এখান থেকে যদি দশটি গাছও বেঁচে যায়, তবুও আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে। আমরা আশাবাদী, রোপণ করা প্রতিটি গাছই বেঁচে উঠবে।” গণগ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষের অনুভূতি
বৈলাম বৃক্ষরোপণ বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে ভোলার সরকারি গণগ্রন্থাগারের কর্মকর্তা মোঃ সবুজ খান বলেন—“বৈলাম গাছ সম্পর্কে যতটুকু জানি, এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু গাছগুলোর একটি এবং দীর্ঘদিন বেঁচে থাকে। আমাদের গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে দুটি বৈলাম গাছ রোপণ করা হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো এই দুটি গাছকে যত্ন করে বাঁচিয়ে রাখার। গাছ দুটি বেঁচে থাকলে ভবিষ্যতে কালের সাক্ষী হয়ে থাকবে।” উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে গণগ্রন্থাগারের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং তারা এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে স্বাগত জানান।






