সিরাজগঞ্জ সংবাদ প্রতিবেদক:
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে৷
আহত যুবকের নাম মোঃ সাব্বির আহম্মেদ (২৮)। তিনি কামারখন্দ উপজেলার দসশিকা গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, একই গ্রামের মোঃ আব্দুল জলিল (৬৫), তার ছেলে মোঃ রুহুল আমিন (৩৩), মেয়ে মোছাঃ জলি আক্তার (৩০)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪–৫ জন এ হামলার সঙ্গে জড়িত।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ১৭ জানুয়ারি দুপুরে অভিযুক্তরা সাব্বির আহম্মেদের বাড়িতে এসে রাস্তা ব্যবহার নিয়ে গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং যাতায়াতের একটি অংশ বন্ধ করে দেয়।
পরদিন ১৮ জানুয়ারি দুপুরে রাস্তার সীমানা নির্ধারণে একজন আমিন ডেকে পরিমাপ করা হয়। এ সময় সাব্বির আহম্মেদের বাবা খুঁটি পুঁততে গেলে অভিযুক্ত রুহুল আমিন তাকে লাথি মেরে ফেলে দেন। বাধা দিতে গেলে সাব্বিরের ছোট ভাইকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়।
পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত আব্দুল জলিল ঘর থেকে লোহার রামদা ও সাবল এনে হত্যার উদ্দেশ্যে সাব্বির আহম্মেদের মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মাথার ডান পাশে গুরুতর কাটা জখম হয় এবং রক্তপাত শুরু হয়। পরে অন্য অভিযুক্তরাও বাঁশ ও কাঠের লাঠি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে।
স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা অভিযোগ করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আহত সাব্বির আহম্মেদকে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সহায়তায় কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মোঃ শাহিন আলম ও মোছাঃ খাদিজা বেগমসহ আরও কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার নাম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এবিষয়ে কামারখন্দ থানার ওসি মো. শাহীন আকন্দ বলেন, একটি মামলা হয়েছে। কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।






