মোঃ হোসেন আলী (ছোট্ট) : সিরাজগঞ্জের কৃতী সন্তান ও
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা, সাবেক সচিব এম হাফিজ উদ্দিন খান এঁর জানাযা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
শুক্রবার ( ২৩ জানুয়ারি ২০২৬) বাদ জুমা পৌর শহরের রহমতগঞ্জ পৌর কবরস্থানে মরহুমের জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মরহুমের জানাযা নামাজের পূর্বে মরহুমের স্মৃতি চারণ করে তার রহুের মাগফেরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি মো: জাহিদুল ইসলাম। পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বড় ভাই বক্তব্য রাখেন। এসময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের বন্ধু বান্ধব আত্মীয়স্বজন শুভাকাঙ্ক্ষীও গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।

জানাযা শেষে মসজিদের পাশেই দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখ্য – গত বুধবার ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তিনি রাজধানী ঢাকার উত্তরায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মেয়েরা কানাডা প্রবাসী। হাফিজ উদ্দিন খান সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার সমাজকল্যাণ মোড় এলাকার প্রয়াত কোবাদ আলীর ছেলে। তিনি ১৯৬৪ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে সিনিয়র সার্ভিস পুলে স্থানান্তর করে।

তিনি ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক নিযুক্ত হন। ১৯৯৯ সালে তিনি অবসরগ্রহণ করেন। ২০০১ সালের ১৬ জুলাই থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে অর্থ, পরিকল্পনা, এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর মেয়েরা কানাডা প্রবাসী। তবে তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত স্ত্রীকে নিয়ে উত্তরার বাড়িতে বসবাস করতেন।






