শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
রায়পুর রেল জংশনের দাবিতে জনমত গঠন ও করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে লেনদেন সংক্রান্ত জেরে ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু !
বেলকুচিতে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ
প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সিরাজগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ২ হাজার চারা বিতরণ
পঞ্চগড় সদরে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত-১,গুরুতর আহত ২
সংবাদ প্রকাশের জেরে হুমকি,নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শরীফুল ইসলাম ইন্নার
সিরাজগঞ্জে হোসেনপুর রানার্স ক্লাবের আয়োজনে জমজমাট আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
মৃত্যুর ৫১ বছর পরও অবিস্মরণীয় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন
হাতিরঝিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান: গ্রীন ও ক্লিন ঢাকার বার্তা দিল রাজউক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী দল

সলঙ্গায় বৃদ্ধা রহিমা খাতুনের ঘরে নেই ঈদের বাজার

ফটোকার্ড

মোঃ আখতার হোসেন হিরন :

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন যত ঘনিয়ে আসছে। আশিঊর্ধ্ব বয়সী রহিমার চিন্তা ততই বাড়ছে। সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানা সদরের এমন একটি অসহায় পরিবারের সন্ধ্যান পাওয়া গেছে। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া বৃদ্ধা রহিমা খাতুন এ প্রতিনিধিকে জানান তার এমন আর্তনাদ। তিনি বলেন আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ ঘনিয়ে আসছে। আমি এখনো ঈদের বাজার ও পরনের কাপড় কিনতে পারি নাই। যদি কেউ কিনে দেয় তাহলে তো ঈদের দিন ভালো কিছু খেতে পারবো আর নতুন কাপড় পড়তে পারবো। আমার কোন সাধ্য নাই আমি বাপু অসহায় মানুষ। দু’বেলা দু’মুঠো ভাত ঠিকমতো পাইনা। আবার ঈদের মার্কেট পাব কোথায়? কে দিবে আমাকে এগুলো? আমি বৃদ্ধা মানুষ আমার বাড়ি ওলাও অনেক বৃদ্ধ মানুষ। বয়সের কারণে কিছুই করতে পারে না। তার কোন কর্মও নেই। নেই কোনো আয়রোজগার। তাই পথ চেয়ে বসে আছি যদি কোন স্বহৃদয়বান ব্যক্তি,কোন মানবিক মানুষ আমাকে ঈদের বাজার ও নতুন কাপড় কিনে দেয়। তাহলে আমি ঈদের দিনের জন্য চিন্তা মুক্ত হতাম। তিনি আরও জানান আমাদের কোন ভিটে মাটিও নেই। তাই এই হাসপাতালের পুরাতন ভবনে প্রায় ৩০/৪০ বছর ধরে দিন কাটাই। দুটি ছেলে থাকলেও কেউ আর খোঁজ খবর নেয় না। একটি মেয়ে সে আমার ঘাড়েই রয়েছে। আমাকে যে যা দেয় তা খেয়েই বেঁচে থাকি। এক সময় আমার বাড়ি, ঘর, গোলাভরা ধান সবই ছিল। কালের বিবর্তনে এখন আর কিছুই নেই। আমি এখন নিঃস্ব। বৃদ্ধা রহিমা খাতুন তার স্বামী ওয়াহেদ কে নিয়ে নাইমুড়ী গ্রামের বাড়িতে বসবাস করত। অভাবের কারণে অনেক আগেই সকল ভিটেমাটি বিক্রি করে দিয়ে এখন ঠাই নিয়েছে কুঠিপাড়া হাসপাতালের পুরাতন ভবনে। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এমন অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সহযোগিতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০