সোমবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান
শাহজাদপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডক্টর এম এ মুহিত
বগুড়া যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জে গণমানুষের ভালবাসায় সিক্ত হলেন- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সিরাজগঞ্জ-রাজশাহী রুটে জেনিন ও এসআই পরিবহন চলাচল নিয়ে-মালিক-শ্রমিকদের দ্বন্দ্ব !
ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
পাবনা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ বিশেষ অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেফতার-১
ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মাদকসেবীকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড সহ অর্থদণ্ড ভ্রাম্যমাণ আদালতের
ঈদুল আযহা সামনে রেখে সিরাজগঞ্জে মহাসড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ স্কাউটস,রোভার অঞ্চলের সিনিয়র রোভারমেট ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত
ঈদ বাড়তি আনন্দ,বড়লেখার ১৮ বাগানের ৪,৬৬৮ শ্রমিক পাচ্ছেন প্রায় ৪ কোটি টাকার বিশেষ ভাতা

তানোরে পাটের বস্তা সিন্ডিকেটে বিপাকে আলু চাষিরা,দুই সপ্তাহে দাম দ্বিগুণ


মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহীর তানোর উপজেলায় পাটের বস্তা নিয়ে সিন্ডিকেটের অভিযোগে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজারো আলু চাষি ও ব্যবসায়ী। মৌসুমের শুরুতে সর্বোচ্চ ৭০ টাকার বস্তা বর্তমানে খোলা বাজারে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। দ্রুত অভিযান চালিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ইতোমধ্যে পুরোদমে আলু উত্তোলন শুরু হয়েছে। এসব আলু হিমাগার বা দেশের বিভিন্ন মোকামে পাঠাতে বিপুল পরিমাণ বস্তার প্রয়োজন হলেও, গত দুই সপ্তাহে হঠাৎ করেই বস্তার দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়ে গেছে। একাধিক কৃষক জানান, বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেটের কারণে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানো হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বস্তা কিনে বাড়ি ফেরার পথে আলফাজ আলী নামে এক কৃষক বলেন, কয়েকদিন আগেও বস্তা ৮০-৮৫ টাকায় কিনেছি। এখন হঠাৎ করে ১৫০-২০০ টাকা দিতে হচ্ছে। দেশে বস্তার কোনো ঘাটতি নেই, তাহলে দাম বাড়বে কেন?
অপর কৃষক রোকন সরকার জানান, বছরের শুরুতে বস্তার দাম ছিল ৭১ টাকা, যা অল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।
কৃষকদের অভিযোগ, বাজার মনিটরিং না থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। উপজেলা প্রশাসন, থানা ও ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের নিয়মিত নজরদারি থাকলে এ পরিস্থিতি তৈরি হতো না বলেও তারা মনে করেন।
খরচের চাপের বিষয়টি তুলে ধরে কৃষকরা জানান, এক বিঘা জমিতে গড়ে ৬০ বস্তা আলু উৎপাদন হয় (প্রতি বস্তায় প্রায় ৬৫ কেজি)। গত বছর বস্তা বাবদ খরচ হয়েছিল প্রায় ৪ হাজার ২০০ টাকা, যা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার টাকায়। অর্থাৎ শুধু বস্তার কারণেই অতিরিক্ত ৭ হাজার ২০০ টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে।
এদিকে, আলুর দাম নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে কৃষকদের। মৌসুমের শুরুতে আলুর দাম ছিল প্রতি কেজি ১০ টাকা, যা বর্তমানে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, ফড়িয়া, মৌসুমি ব্যবসায়ী ও হিমাগার সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে আলুর দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে, যেখানে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কার্যকর ভূমিকা নেই।
অভিযোগ রয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ৫০ কেজির বস্তা ব্যবহারের কথা থাকলেও বাজারে দেদারসে ৭০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর নজরদারি না থাকায় সিন্ডিকেট আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
কৃষকরা অবিলম্বে বাজার তদারকি জোরদার, সিন্ডিকেট ভাঙা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০