ওয়াসিম সেখ,সিরাজগঞ্জ :
সংরক্ষিত নারী আসনে বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা-কে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন ছাত্রদল কর্মী সৈকত রহমান সজিব।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র প্রতি দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নিষ্ঠা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির স্বীকৃতিস্বরূপ কনকচাঁপাকে সংসদে পাঠানো উচিত। তার মতে, কনকচাঁপার মতো একজন গ্রহণযোগ্য ও সৎ ব্যক্তিত্ব সংসদে গেলে দলের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।
সৈকত রহমান সজিব জানান, ২০১৩ সালে দেশে রাজনৈতিক সংকটের সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-র আহ্বানে সাড়া দিয়ে কনকচাঁপা দলে যোগ দেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি সিরাজগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। সে সময় নানা বাধা ও ঝুঁকি উপেক্ষা করে দলের জন্য তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
তিনি আরও বলেন, দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কনকচাঁপা কখনও ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ঘুষ, দুর্নীতি বা চাঁদাবাজির মতো কোনো অভিযোগ নেই। কনকচাঁপা শুধু একজন শিল্পী নন, তিনি সততা ও আদর্শের প্রতীক। সংসদে তার মতো একজন পরিচ্ছন্ন ইমেজের নারী নেত্রী গেলে বিএনপি একটি শক্তিশালী কণ্ঠস্বর পাবে, যোগ করেন সজিব।
কনকচাঁপার পৈতৃক নিবাস সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলা। পেশায় তিনি চলচ্চিত্রে, আধুনিক ও লোকজ গানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। তিন দশকের বেশি সময় ধরে সংগীতাঙ্গনে সক্রিয়। স্বীকৃতি স্বরূপ হিসেবে একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত। বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-১ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন।
সমাজসেবা ও লেখক হিসেবেও পরিচিত।
সৈকত রহমান সজিবের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় শিক্ষিত, সাংস্কৃতিক ও জননন্দিত ব্যক্তিত্বদের সংসদে প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো জরুরি। কনকচাঁপা সেই যোগ্যতার একটি অনন্য উদাহরণ। তার মনোনয়ন তৃণমূল নেতাকর্মীদের যেমন উজ্জীবিত করবে, তেমনি দেশের সচেতন মহলেও দলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে।
পরিশেষে তিনি দলীয় হাইকমান্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন এই নেত্রীকে সংরক্ষিত নারী আসনে মূল্যায়ন করে তার দীর্ঘদিনের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হোক।






