মোঃ হোসেন আলী ছোট্র : বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ফুটবল খেলার গুরুত্ব অপরিসীম। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঘটনার অনুঘটক হিসেবে ফুটবল খেলার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়ে ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকশিত হয়,এতে করে খেলোয়াড়রা নিজেকে মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী মনে করে। মানব শরীরের মহৌষধ হচ্ছে ফুটবল খেলা, ফুটবল খেলায় দৌড়ানোর ফলে হ্নদপিন্ড ও মাংসপেশির সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়,ফলে ওজন সঠিক সীমার মধ্যে থাকে। জনপ্রিয় ফুটবল খেলার শারীরিক, মানসিক, সামাজিক সহ আরো গুরুত্ব রয়েছে।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে শনিবার ( ২ আগষ্ট ২০২৫খ্রিঃ) বিকালে সিরাজগঞ্জের শহীদ শামসুদ্দিন স্টেডিয়ামে হোসেনপুর খুশীর মোড় লাল মসজিদ এলাকার শিশু কিশোরদের ফুটবল খেলায় উৎসাহিত করে তাদেরকে একটি উন্নতমানের ফুটবল উপর দেন সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের আহবায়ক এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক তিনবারের সাধারণ সম্পাদক, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠা কালীন দুইবারের সভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ খান হাসান।
তিনি দৈনিক সিরাজগঞ্জ সংবাদ প্রতিবেদকের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় বলেন- ফুটবল খেলা শরীর ও মনের জন্য অনেক উপকারী। এটি হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমায়, সেই সাথে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। নিয়মিত ফুটবল খেলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উভয়ই ভালো থাকে। তিনি জানান- ফুটবল খেলার মাধ্যমে মানুষের
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: নিয়মিত ফুটবল খেলার ফলে হৃদযন্ত্র শক্তিশালী হয় এবং রক্ত সঞ্চালন ভালো থাকে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে: ফুটবল খেলার সময় প্রচুর ক্যালোরি বার্ন হয়, যা ওজন কমাতে এবং শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
পেশি শক্তিশালী করে: ফুটবল খেলার সময় দৌড়ানো, লাফালাফি করা এবং বল কিক করার মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন পেশী শক্তিশালী হয়।
শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখে: ফুটবল খেলার মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকে এবং ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে: নিয়মিত ফুটবল খেলার ফলে হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে, যা হাড়কে মজবুত করে এবং অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি কমায়।
দ্রুত এবং শক্তিশালী হওয়া: ফুটবল খেলার জন্য প্রয়োজন দ্রুত এবং শক্তিশালী নড়াচড়া, যা খেলোয়াড়দের বিস্ফোরক শক্তি তৈরিতে সহায়তা করে।
মানসিক চাপ কমায়: খেলাধুলা শরীর ও মনে আনন্দ দেয়, যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
আত্মবিশ্বাস বাড়ায়: একটি দলের অংশ হয়ে খেলার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং আত্মমর্যাদাবোধ তৈরি হয়।
সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি করে: ফুটবল খেলার মাধ্যমে সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধার মতো সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
সৃজনশীলতা বাড়ায়: ফুটবল খেলার সময় কৌশল তৈরি এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যা সৃজনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
মনোযোগ ও একাগ্রতা বাড়ে: খেলার সময় মনোযোগ ধরে রাখা এবং একাগ্রতা বজায় রাখার মাধ্যমে মানসিক দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
ফুটবল খেলা একটি স্বাস্থ্যকর এবং আনন্দদায়ক খেলা, যা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়তা করে বলে জানান এই ক্রীড়া সংগঠক।






