নিজস্ব প্রতিবেদক :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে গণমিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রায়গঞ্জ উপজেলা শাখা। ৫ আগস্ট ২০২৫, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে ধানগড়া পল্লী বিদ্যুৎ মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রায়গঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মোঃ আলী মর্তুজা এবং সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা সেক্রেটারি ডা. এস. এম. মুনসুর আলী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা) আসনে জামায়াত মনোনীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী প্রফেসর শায়খ ড. মাওলানা আব্দুস সামাদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আব্দুস সামাদ বলেন, “গত বছর এই দিনে হাজারো শাহাদাত, আহত ও পঙ্গুত্বের বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। এই সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে আমাদের প্রাণপ্রিয় ছাত্রজনতা। আমি তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি এবং শহীদদের শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা কামনা করছি।”
তিনি আরও বলেন, “সকল তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও এখন পর্যন্ত গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান নয়—এর চেয়ে দুঃখজনক আর কী হতে পারে! যাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ স্বস্তির পরিবেশে বসবাস করছি, সেই আহত যোদ্ধাদের এখনও চিকিৎসার জন্য আন্দোলন করতে হয়।”
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “অবিলম্বে এই গণহত্যার বিচার সম্পন্ন করতে হবে। শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “ভবিষ্যতে জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনে জামায়াত যদি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পায়, তাহলে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে এবং জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে কাজ করবে, ইনশাআল্লাহ।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা নাসির উদ্দীন, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আবুল কালাম বিশ্বাস, রায়গঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মোশারফ হোসেন আকন্দ এবং উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মাসুদ রানা।
গণমিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা কর্মপরিষদের সদস্য খোরশেদ আলম, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি ডা. কামরুল ইসলাম, অফিস সম্পাদক জাকারিয়া হোসেন, তারবিয়াত সম্পাদক নজরুল ইসলাম, কর্মপরিষদ সদস্য গোলাম আজম ও সুমন আহমেদ এবং পৌর আমীর আলহাজ্ব হোসেন আলীসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।






