শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
সিরাজগঞ্জে লেনদেন সংক্রান্ত জেরে ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু !
বেলকুচিতে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ
প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সিরাজগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ২ হাজার চারা বিতরণ
পঞ্চগড় সদরে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত-১,গুরুতর আহত ২
সংবাদ প্রকাশের জেরে হুমকি,নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শরীফুল ইসলাম ইন্নার
সিরাজগঞ্জে হোসেনপুর রানার্স ক্লাবের আয়োজনে জমজমাট আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
মৃত্যুর ৫১ বছর পরও অবিস্মরণীয় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন
হাতিরঝিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান: গ্রীন ও ক্লিন ঢাকার বার্তা দিল রাজউক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী দল
কাজিপুরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

বেলকুচিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্ছেদ অভিযান,গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১৬২ স্থাপনা 

ফটোকার্ড

মোঃ জুবায়ের হোসাইন, বেলকুচি উপজেলা প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। 

বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে প্রায় ১৬২টি অবৈধ দোকান ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। উচ্ছেদ অভিযানে কলেজ মোড় এলাকায় অবস্থিত ‘আইবুল মোটরস’ এর ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়। একইসাথে বেশ কয়েকটি চায়ের দোকান ও স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘মনোহারী দোকান’সহ অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হয়।

এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফজলে রাব্বি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান। এসময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, র‍্যাব-১২ এর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ উল্লাহ, বেলকুচি থানা পুলিশ এবং বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরিন জাহান উপস্থিত ছিলেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সরকারী জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে নদী রক্ষা বাঁধ এবং পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। এজন্য এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।”

তবে উচ্ছেদকৃত দোকান মালিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ইমন ট্রেডার্সের মালিক অভিযোগ করে বলেন, “আমার দোকান মাত্র ১ ফুট সরকারি জমিতে ছিল, কিন্তু অর্ধেকেরও বেশি অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে।”

অন্যদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত আরেক ব্যক্তি মনিরুল ইসলাম বলেন, “১৬২টি দোকান উচ্ছেদ হওয়ায় হাজারো পরিবার কর্মহীন হয়ে পড়বে। পুনর্বাসনের কোনো ব্যবস্থা না করে এভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো মানবিক নয়।” তিনি সরকারের কাছে দাবি জানান, “যাদের দোকান ভাঙা হয়েছে, তাদের নতুনভাবে জায়গা লিজ দিয়ে পুনঃস্থাপনের অনুমতি দেওয়া হোক, যাতে সরকার রাজস্ব পায় এবং ব্যবসায়ীরাও আবার জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।”

স্থানীয়রা জানান, উচ্ছেদ অভিযানের ফলে কিছু অংশে সঠিকভাবে নোটিশ দেওয়া হলেও, অনেক দোকানদার সময় না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে মানবিক বিবেচনায় দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০